ছাত্রজনতা হত্যা, গুম ও খুনের আসামি ডিবি কর্মকর্তা লিটন বহাল তবিয়তে।

ছবি: লিটন সুতার।

হত্যা, গুম ও খুনের আসামী এএসআই লিটন সুতার বর্তমানে ঝালকাঠি ডিবি অফিসে কর্মরত, কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্রজনতার ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন দমনে ঢাকায় যেকজন ডিবি কর্মকর্তা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলো তারা সবাই পলাতক থাকলেও কোন ক্ষমতার বলে এএসআই লিটন সুতার নতুন পোস্টিং নিয়ে বহাল তবিয়তে আছেন যা অনেক পুলিশ সদস্য ও সাধারণ ছাত্রজনতার মধ্যে বোধগম্য নয়। এই ডিবি সদস্য এহেন কোন অপরাধ নেই যে সে তার ঢাকার ডেমরা ডিবি জোনাল টিমে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে করেনি। কিন্তু আজ তিনি বহাল তবিয়তে অবৈধ ও অসৎ অর্জিত কোটি কোটি টাকা দিয়ে ঝালকাঠি ডিবি অফিসে বদলি হয়ে আছেন বেশ। এএসআই লিটনের বিরুদ্ধে সাধারন ছাত্রজনতা হত্যাকারী, আঘাতকারী, ষড়যন্ত্রকারী, দেশ বিধ্বংসী, ক্ষমাতালোভী, দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারকারী অপরাধে মামলা রয়েছে। পতিত সরকারের একজন আস্থাভাজন কর্মকর্তা হিসেবে অনেক অপকর্মের সাক্ষী এই এএসআই লিটন। তার বিরুদ্ধে ঢাকা চীফ মেট্রোপলিপন মেজিস্ট্রেট আদালতে ছাত্রজনতা ও বিরোধীমত দমনে দঃ বিঃ-১৮৬০ এর ধারা ৩৩৪/৩৩৫/৩২৬/৩২৬এ/৩০৭/৩৯২/৩৪ যাহা বিজ্ঞ ঢাকা জজ আদালতে চলমান। যার মামলা নং সি আর -১২৫/২৪। এএসআই লিটনের বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন ধরণের গুম ও হত্যার মামলা চলমান। ঢাকায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন গুম ও হত্যার সাথে জড়িত ছিলো এবং সাধারণ জনগণকে জিম্মি করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। এএসআই লিটন সাংবাদিক মো. আমিনুল ইসলাম ইমনকে গুলি করে মৃতভেবে ফেলে রেখে Yahama R-15, ঢাকা মেট্রো ল-৩২-৮৩২৬ মটরসাইকেলটি লুট করে নিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক ইমন বেচে গেলেও অসুস্থ যাপন করছেন এবং বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ফিরছেন। পতিত সরকারের এমপি মহিউদ্দীন মহারাজের আস্থাভাজন ছিলেন এই ডিবি কর্মকর্তা তার প্রভাবে অনেক অপকর্ম করেছেন । এএসআই লিটন ছাত্রলীগ সভাপতি সজল কুন্ড ও সাদ্দাম হোসেনের প্রভাবে অনেক অপকর্ম করেছে । পতিত ফ্যাসিবাদীরা পালালেও এই দুর্নীতিবাজ ও ছাত্রজনতা হত্যাকারি আজও বহাল তবিয়তে রয়েছে এবং সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে বহাল তবিয়তে আছেন। পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে গোপন সূত্রে অনুন্ধানে বের হয়ে আসে তার কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ এখন পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের গুপ্ত সাংগঠনিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে দ্রুত পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারকে আবার ক্ষমতায় আনা যায়।
তার অবৈধ সম্পদের একটি সামন্য বিবরণ আমাদের অনুসন্ধানী ক্রাইম রির্পোটে বের হয়ে আসে।

১. এক্স-ট্রেইল (Nissan X-Trail) গাড়ী যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকার যা বিদেশী মিশনে ভাড়া দেওয়া রয়েছে।

২. গুলিস্তানে ১টি বিশালকার পার্টস ও হার্ডওয়ারের দোকান রয়েছে যার বাজার মূল্য কোটি টাকা।

৩. একতলা বিশিষ্ট কোটি টাকা দিয়ে নবনির্মিত বাড়ি।
৪. ৬ লাখ টাকার মটরসাইকেল সে নিজে চালায়
৫. আইফোন রয়েছে ৪টি
৬. একটি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছেন।
৭. গ্রামের বাড়িতে পতিত সরকারের নামে ক্লাব তৈরি করেছিলেন যা বর্তমান রয়েছে।
৮. ফ্যাসিস্ট সরকারের নামে পার্টি অফিস তৈরি করেছিলেন নিজ বাড়িতে যা বর্তমান রয়েছে।

এছাড়াও অগনিত ভূমি নিজ ও আত্মীয় স্বজনের নামে ক্রয় করেছে। এই অবৈধ সম্পদ উপার্জন করেছেন বিভিন্ন অপকর্ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে।

ঢাকা চীফ মেট্রোপলিপন মেজিস্ট্রেট আদালাতে আমাদের রির্পোটারকে একজন কর্মকর্তা বলেন, তার মামলা চলমান রয়েছে, আপনরা চাইলে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বিরোধী কমিশনে অভিযোগ দিতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *