
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দু ব্যবসায়ী রূপক রায় কে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং মোটা অঙ্কের চাঁদার দাবিতে মারধর করা হয়েছে।
এই ঘটনা ঘটে, ১০ মে রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের আমতলী বাজারে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রূপক রায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিজয়নগর উপজেলার আলাদাউপুর গ্রামের সাহা পাড়ার বাসিন্দা। তার আমতলী বাজারের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
রোববার সকালে আলাদাউপুর গ্রামের সাহা পাড়ার বাড়ি থেকে ব্যবসায়ী রূপক রায় আমতলী বাজারের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিকাশে টাকা পাঠানোর কথা বলে কৌশলে তাকে আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
বাড়িতে যাওয়ার পর রূপক সাহাকে বেঁধে মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এক পর্যায়ে আসামিরা রূপকের পরিবারের কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে জানায়, তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আছেন এবং তার ফোন হারিয়ে গেছে।
তবে রূপককে আটকে রাখার বিষয়টি দুপুরের দিকে জানাজনি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে জরুরি জাতীয় নম্বর ৯৯৯ এ ফোন করা হয়। পাশাপাশি থানায়ও জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশের পাশাপাশি গ্রামের লোকজন ছুটে গিয়ে রূপককে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় রূপক রায়ের বাবা গোপাল রায় রোববার রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। সোমবার সকালে মামলা নথিভুক্ত হয়।
এদিকে মারধরে আহত ব্যবসায়ী রূপক রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ী রূপক রায় বলেন, তাকে জিম্মি করে একাধিক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং পিটিয়ে ২০ লাখ টাকা চাওয়া হয়। পুলিশের খবর দেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে আরও বেশি মারধর করা হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে সারা শরীরে রক্তাক্ত করা হয়।