চাঁদপুরে দুর্গামন্দিরের ভান্ডারঘরে অগ্নিসংযোগ।

ছবি: মন্দিরে অগ্নিসংযোগ।

চাঁদপুরে দুর্গামন্দিরের ভান্ডারঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে গেছে।

এই ঘটনা ঘটে, ৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার সময়, চাঁদপুর জেলা কচুয়া উপজেলা পৌরসভার করইশ বেপারী বাড়ি দুর্গামন্দিরের ভান্ডারঘরে।

কচুয়া পৌরসভার করইশ বেপারী বাড়ি দুর্গামন্দিরের গুদামে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৫) দিবাগত রাত দেড়টার সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রতন চন্দ্র ভৌমিক বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বেপারী বাড়ির বাসিন্দা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রতন চন্দ্র ভৌমিক জানান, স্থানীয়রা রাত দেড়টার সময় মন্দিরের পাশে গোডাউনে আগুন দেখতে পেয়ে ডাকচিৎকার দিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে সংবাদ দিলে সবাই মিলে আগুন নেভাতে সহায়তা করে। আগুনে গোডাউনে রক্ষিত পূজা উদযাপনের মালামাল, কাপড়, পানির মোটর, কার্পেট, বিছানা, রান্না করার সসপেন, পাতিল, লাকড়ি, থালা, বাসন, ঘর ও সকল মালামাল পুড়ে যায়। তিনি আরো বলেন, রাতের আঁধারে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীদের আগুনে আমাদের গোডাউনের প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে গেছে।

উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সাহা জানান, শত বছরের পুরাতন এ মন্দিরে কখনও এ ধরনের ঘটনা ঘটে নাই। গোডাউনে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। কীভাবে আগুন লেগেছে তা বলতে পারছি না। প্রতিবেশী মুসলিম ভাই ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন মিলে আগুন নিভিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি ও প্রশাসনের কাছে আর্থিক সহযোগিতা কামনা করছি।

উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ পোদ্দার বলেন, আমারা সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন যুগ যুগ ধরে একসাথে মিলে মিশে বসবাস করছি। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মন্দিরে ৪দিনব্যাপী হরিনাম কীর্তনের প্রস্তুতি চলছে। মন্দিরের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।

কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে টহল পুলিশ, আমি ও সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল হাই চৌধুরী এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *