
মুন্সীগঞ্জে লক্ষ্মী প্রতিমা ভাংচুরের সময় হাতে নাতে আটক করা মুসলিম জিয়াসমিন কে।
এই ঘটনা ঘটে, ৮ অক্টোবর বুধবার ভোররাতে মুন্সীগঞ্জ জেলা সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের ছোট শিকারপুর গ্রামের হরেকৃষ্ণ মণ্ডলের বাড়ি সর্বজনীন পূজা মন্দিরে।
অভিযুক্ত আটক মুসলিম নারী জিয়াসমিন জামালপুর জেলা মেলান্দহ উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামের মেয়ে।
পূজা উপলক্ষ্যে হরেকৃষ্ণ মণ্ডলের বাড়ি বেরাতে আসা প্রত্যক্ষদর্শী রাজীব মন্ডল ও ননী মণ্ডল বলেন, সকালে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে উঠে দেখি জিয়াসমিন নামে এই মহিলা দাড়িয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করছেন। আমরা দুজন ভয়পেয়ে বাড়ির লোকজনদের ডেকে ঘুম থেকে জাগিয়ে মহিলাকে আটক করি। এই ভাঙচুর তাঁর মানসিক অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ, নাকি এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে, তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই।
এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট পলাশ মণ্ডল বলেন, আজ ভোররাত তিনটা পর্যন্ত আমাদের লোকজন মন্দিরের পাহারায় ছিলেন। এরপর জিয়াসমিন কাজটি করেন। তিনি লক্ষী প্রতিমাসহ তিনটি বিগ্রহের হাত-পা, মাথা ভেঙেছেন। সকাল ৬টার সময় আমরা এসে দেখতে পাই যে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত জিয়াসমিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু বকর বলেন, অভিযুক্ত জিযাসমিনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।