আনন্দবাজার পত্রিকার হিন্দু বিদ্বেষী কর্মকান্ড!

ছবি: আনন্দবাজর পত্রিকা।

আরজিকর এবং দুর্গাপুরের ধর্ষণের ঘটনায় আনন্দবাজার পত্রিকার হিন্দু বিদ্বেষী কর্মকান্ড স্পষ্ট।

দীর্ঘদিন ধরেই আনন্দবাজার পত্রিকার ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা গেছে যখন কোন খবরে অভিযুক্ত ব্যক্তি সনাতন ধর্মাবলম্বী হয় তখন তারা নাম ও ছবি প্রকাশ করে থাকে আনন্দবাজার পত্রিকা। অন্যদিকে যখন কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি মুসলিম ধর্মাবলম্বী হয় তখন কৌশল গত ভাবে নাম ও ছবি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে এই আনন্দবাজার পত্রিকা।

এবারও তেমনই ঘটনা ঘটেছে আরজি কর এবং দুর্গাপুরের ধর্ষণের ঘটনায়।

দুর্গাপুরের ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত তিন ছাত্রের নাম উঠে আসলে দেখা যায় তিন জনই মুসলিম ধর্মাবলম্বী।

এই দিকে আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে তারা অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করেই খবর প্রচার করে।

এমন কি খবরের নিচে কোড করে লিখেছে, “(ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি বা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মতো ঘটনায় আদালত যত ক্ষণ না অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করছে, তত ক্ষণ তাঁর নাম-পরিচয় প্রকাশে আইনি বাধা থাকে। আইনি বাধা রয়েছে নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশেও। সেই কারণে আনন্দবাজার ডট কম এই ঘটনায় মৃতা ছাত্রী এবং অভিযুক্ত ছাত্রের নাম এবং ছবি প্রকাশে বিরত থাকছে।)”

একই ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত তিন ছাত্র পুলিশের হেফাজতে উল্লেখ করে খবর প্রচার করলেও অভিযুক্ত ছাত্রদের নাম প্রকাশ করে নাই আনন্দবাজর পত্রিকা।

অথচ দেখা যায় আরজি কর ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত হিন্দু ব্যাক্তিদের নাম ও ছবি প্রকাশ করে খবর প্রচার করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

এখানেই প্রশ্ন আরজি কর ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম ও ছবি প্রকাশ করার সময় কি আইনি বাধা ছিল না আনন্দবাজার পত্রিকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *