
এক রাতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত খ্রিস্টানদের ২ টি পৃথক স্থাপনায় ককটেল হামলা করেছে।
এই ঘটনা ঘটে, ৭ নভেম্বর শুক্রবার রাতে, রাজধানী ঢাকার রমনা এলাকায় সেন্ট মেরি’স ক্যাথেড্রাল চার্চে এবং রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে সেন্ট জোসেফ স্কুল ও কলেজের পাদ্রি ও শিক্ষকদের বাসভবনের সামনে।
প্রথমে শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রমনা এলাকায় সেন্ট মেরি’স ক্যাথেড্রাল চার্চের গেটের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তারপর আরেকটি ককটেল ছোড়া হয়েছিল, তবে সেটি বিস্ফোরিত হয়নি। পরে পুলিশ এসে অবিস্ফোরিত ককটেলটি উদ্ধার করে।
এরপর রাত ৩টার দিকে, মোহাম্মদপুরে সেন্ট জোসেফ স্কুল ও কলেজের পাদ্রি ও শিক্ষকদের বাসভবনের সামনে আরও দুটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়।
খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জনসংযোগ প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যানোনিমাস পিআরসিএম’-এর পরিকল্পক অপু প্লাসিড বলেন, ‘জুবিলি আমাদের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য একটি অনেক বড় আয়োজন। এই আয়োজনকে পণ্ড করতেই হয়তো আগের রাতে ককটেল হামলা হয়েছে। একই রাতে খ্রিস্টান যাজকদের বাসভবনকে লক্ষ্য করে হামলা। স্বাভাবিকভাবেই সারা দেশের খ্রিস্টানরা একরকম আতঙ্কের মধ্যে আছে।’
ককটেল হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশন (বিসিএ)। এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘটনাগুলোকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন সংগঠনটির সভাপতি নির্মল রোজারিও ও মহাসচিব হেমন্ত আই কোড়াইয়া।
তারা বলেন, ‘অল্প সময়ের ব্যবধানে দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ গির্জায় ককটেল নিক্ষেপের ঘটনাকে কোনোভাবেই হালকা ভাবে নেয়ার সুযোগ নেই। এটি ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর সরাসরি আঘাত।’
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর তেজগাঁওয়ের হোলি রোজারি গির্জায় ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল।