১৫ বছরে ১৩৮৭ জন ধর্মীয় সংখ্যালঘু হত্যায় দেশে/বিদেশে আ’লীগ দালালদের দায়।

নিউইয়র্কে ডাইভারসিটি প্লাজায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ব্যবহার করে আন্ত:লীগের দালালরা আবার জড়ো হয়েছে। হিন্দু আন্দোলন হোগা মারার জন্য। এর আগে ২০২১, ২০২৪ এবং ২০২৫ সালেও হিন্দু নির্যাতনকে ট্রাম্পকার্ড হিসেবে ব্যবহার করে । হিন্দুদের দাবিকে আরো সংর্কীর্ণ ও মৃল্যহীন করে তোলছে যে দালালরা।

বাংলাদেশ ঐক্য পরিষদ আওয়ামী লীগের বিটিম হিসেবে কাজ করে, যখনই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের কোন গুরুতর বিষয় নিয়ে আন্দোলনে যায় তখন আওয়ামী লীগ তার সকল প্রচেষ্টা দিয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আন্দোলনকে বির্তকিত করতে বাধা দেয় ঐক্য পরিষদের নেতাদের দেশের মধ্যে রানা-মনিদ্র-প্রিয়াগংদের দিয়ে আবার আমেরিকায় শিতাংশু- নবেন্দু দত্ত- দ্বীজেন-গংদের দিয়ে। আবার লন্ডনে আছে পুষ্পিতা-সুশান্ত গং আরেক নতুন উদয় হইছে তার জুমন দাস বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের চোদনে শাল্লায় হিন্দুদের বারোটা বাজিয়ে মুজিব কোট গা দিয়ে লন্ডন গিয়ে কাওমমিমাতাকে মা ডেকে রং মেখে সং সেজে হিন্দু নেতা হওয়ার চেষ্টা করছে এরা । নাম প্রকাশে নিউইয়র্কের এক স্থানীয় হিন্দু বলেন, কী আর বলবো, গত হাসিনার ১৫ বছরে আমরা আমরা কোন আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নেতাদের আমাদের পাশে দাড়াতে তো দেখিনি। বরং অনেক আওয়ামী নেতা হিন্দু আন্দোলন দেশ-বিদেশের মাটিয়ে গড়ে উঠলে তা হুমকি এবং সুকৌশলে নষ্ট করে দিতো। আজ তারাই আবার হিন্দুদের আন্দোলনে জয় বাংলা স্লোগান দেয়। এটা ভালো লক্ষন নয়। আমাদের জন্য।

নিউইয়র্কে ডাইভারসিটি প্লাজায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ব্যবহার করে আন্ত:লীগের দালালরা আবার জড়ো হয়েছে আমেরিকার মাটিতে। ২০২১ সালে আমরা দেখেছি Bloody Autumn-2021 এর সময়ে বিদেশের মাটিতে গড়ে উঠা হিন্দু আন্দোলন হোগা মারার জন্য যা যা দরকার তা এই চিহ্নিত আন্ত:লীগের দালালরা করেছিলে কাওমিমাতাকে রক্ষায় এখন আবার জড়ো হয়েছে দীপু চন্দ্র দাসকে পুজি করে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশী সংখ্যালঘুদের আন্দোলনের বারোটা বাজিয়েছে এই আন্ত:লীগের দালালরা। কলকাতা প্রেসক্লাবে এসে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বলেছিলো আওয়ালীগ ২০২৪ সালের সংখ্যালঘু আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রতিটি সংখ্যালঘু আন্দোলনকে আওয়ামী ও কাওমিমাতার বি টিম বিভিন্নভাবে মুলস্রোত থেকে অন্য দিকে নিয়ে গেছে। আজও সেই ভয়ানক ষডযন্ত্রের শিকার অসহয়ায় বাংলাদেশি সংখ্যালঘুরা। ২০২৪ সালের হিন্দুদের আন্দোলনের বারোটা বাজিয়ে দিয়ে চিন্ময় দাস ব্রম্মচারীকে জেলে ঢুকিয়েছে আওয়ামী ষড়যন্ত্রের একটি মেটিকুলাস ডিজাইন যা বাংলাদেশে নেতৃত্ব দেয় কুশল বরণ চক্রর্তী নামের এই গংরা । নিউয়ইর্কের এক সংখ্যালঘু নেতা বলেন, তাই এদের প্রতিহত করতে হবে। কারণ এরা সংখ্যালঘুদের মঙ্গল কখনো চায়নি বরং ব্যবহার করেছে ওদের কাওমিমাতাকে ক্ষমতায় রাখতে। আজ আবার চেষ্টা করছে। তাই যেখানে ওদের দেখা যাবে সেখানে ও দের প্রতিহত করতে হবে। ২০০৯-২৪ ইং সংখ্যালঘুদের ১২টা বাজিয়েছিলো কাওমমিতার ও তার দোষরা। তাই কোনভাবেই কাওমমিমাতা তার দালালদের মায়াকান্না আমরা আর প্রশয় দেবো না। কাওমিমাতা হাসিনা হলো এই দালালদের আম্মা আর মুজিবুর হলো বাপ। আজ ২০২৫ সালেও হিন্দু নির্যাতনকে ট্রাম্পকার্ড হিসেবে ব্যবহার করে আন্ত:লীগকে ক্ষমতায় আনার চেষ্টা করছে । দীপু চন্দ্র দাসের আন্দোলনে তারা স্লোগান দেয়-জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। এইবার আসা যক লন্ডনের জরিনা খ্যাত পুষ্পিতার বিষয়ে তার বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের প্রতি প্রেম উদয় হয় ২০১৬ সালে নাসিরনগরে হামলার সময় পরে জানা যায় সে এটাকে পুজি করে ২০১৮ সালের আন্তঃলীগের মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান এখন আবার হিন্দুদের হোগায় বাঁশ দেওয়ার সকল দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন লন্ডনে।

আমেরিকার একজন সাংবাদিকি বলেন, আওয়ামী সংখ্যালঘু দালাল শুধু দেশে নয়, বিদেশের মাটিতেওে আছে, তারা হিন্দুদের দাবিকে আরো সংর্কীর্ণ ও মৃল্যহেীন করে তোলছে যে দালালরা তাদের আমারা একটু চিনে নেই। তিনি বলেন, ভজন দাস, নবেন্দু দত্ত, রামদাশ ঘরামী, দ্বীজেন ভট্টাচার্য ,সিদ্দিকুর রহমান , মাসুদুল হাসান এমদাদ চৌধুরী, সুশিল সিনহা , প্রিয়তোষ দে , সুতিপা রায়, রূপকুমার ভৌমিক, বিষ্ণু গোপ গৌরাঙ্গ রায়, সদানন্দ রায়, সুমন নাথ, উত্তম সাহা, স্বীকৃতি বড়ুয়া, গোবিন্দ দত্ত , ঞ্জিৎ সাহা , শিতাংশু গুহ, পুষ্পিতা দাস (লন্ডন) এই গংরা যতদিন থাকবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের কোন আন্দোলন দেশ-বিদেশে গড়ে উঠতে দিবে না, তাই এদের প্রতিহত করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন গত ১৫ বছর ২০০৯-২৪ সাল অবিধ বাংলাদেশ ১৩৮৭ জন ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিভিন্নভাবে বাংলাদেশে হত্যার শিকার হয়। এর পিছনে এই আওয়ামী দালালদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে হাত আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *