৭১-র ইয়াহিয়া এখন ২০২৪-২০২৫- ইউনুস মোহাম্মদ মহাজন – প্রফেসর চন্দন সরকার।

ছবি: ড. ইউনূস।

২০২৪-২০২৫ সালে মোহাম্মদ ইউনুস মোহাজনের নেতৃত্বে শুরু হওয়া “ইয়াহিয়া” নামক নির্যাতনমূলক অভিযান হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে, দিপু চন্দ্র দাস, খোকন দাস, চক্রবর্তী, রানা প্রতাপ বৈরাগীসহ অনেক হিন্দু ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হত্যা, মারধর, এবং নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এই ঘটনাগুলো শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও নির্যাতনের একটি ভয়াবহ উদাহরণ।

রানা প্রতাপ বৈরাগীর হত্যাকাণ্ড যশোর জেলার একজন হিন্দু সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী, যিনি স্থানীয় পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়, বরং বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের প্রতীক। এই ঘটনায় দেশজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, এবং তারা তাদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে। কিন্তু শেষ সময়ে ইউনুস হ্যামিলনের বাশিওয়ালা।

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর সহিংসতা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হিন্দু সম্প্রদায় নির্যাতন, অপহরণ, হত্যা, এবং সম্পত্তি দখলের শিকার হয়ে আসছে। কিন্তু মোহাম্মদ ইউনুস মোহাজনের “ইয়াহিয়া” ঘোষণা এই সহিংসতার মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা এই মুহূর্তে অপরিহার্য। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই ঘটনাগুলোর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। বাংলাদেশ সরকারের উচিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উচিত এই ঘটনাগুলো তদন্ত করে বাংলাদেশ সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করা। বিশ্ব সম্প্রদায়েরও উচিত বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া।

বাংলাদেশ সরকারের উচিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ঘটনাগুলো তদন্ত করে এবং বাংলাদেশ সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করা উচিত। বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া।

লিখেছেন –
প্রফেসর চন্দন সরকার
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অর্থনীতিবিদ এবং মানবাধিকার কর্মী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *