
নিখোঁজের ৬ দিন পর কলেজছাত্র অভির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে নওগাঁ জেলা শহরের কালিতলা মহাশ্মশান সংলগ্ন এলাকার নদী থেকে অভির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অভি বগুড়া জেলা আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের বাসিন্দা রমেশ চন্দ্রের বড় ছেলে। তিনি নওগাঁ সরকারি কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
জানাযায়, গত ১১ জানুয়ারি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন অভি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো হদিস মেলেনি। নিখোঁজের ৬ দিন পর শনিবার বিকেলে কালিতলা মহাশ্মশান সংলগ্ন এলাকায় নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। যে পোশাক পরে ১১ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়েছিল অভি-সেই পোশাক দেখেই মরদেহ শনাক্ত করা হয়।
অভির স্বপ্ন ছিল অনার্স শেষ করে ভালো একটি চাকরি করে বাবার হাল ধরবেন। আর মাত্র কিছুদিন পরেই ছিল তার ফাইনাল পরীক্ষা। কিন্তু একটি মর্মান্তিক মৃত্যুতে সেই সব স্বপ্ন এখন নদীর জলে মিশে গেছে।
ছেলের মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা রমেশ চন্দ্র। তিনি বলেন, গত ১১ জানুয়ারি রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ছেলে। এরপর আত্মীয়স্বজনের বাড়ি, পরিচিত সব জায়গায় খোঁজ করা হয়। কোথাও কোনো সন্ধান না পেয়ে আদমদীঘি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পড়াশোনায় ভালো ছাত্র অভির এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না পরিবার, স্বজন কিংবা সহপাঠীরা।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল ইসলাম জানান, নদী থেকে উদ্ধার করা মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।