অবৈধ ব্যবসা না করায় আদিবাসী যুবককে নির্যাতন।

ছবি: আদিবাসী যুবককে নির্যাতন।

মাদক ও জাল টাকার ব্যবসা করতে না চাওয়ায় আদিবাসী যুবক বৈশাখ সাংমা (২২) কে হাত-পা বেঁধে মারধর করেছে শহীদ মিয়া, আরজু মিয়া, নাছিমা বেগম, সাফিয়া বেগম গং।

এই ঘটনা ঘটেছে, ১৮ অক্টোবর শনিবার, সুনামগঞ্জ জেলা তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের বড়গোপ টিলা গ্রামে।

ভুক্তভোগী আদিবাসী যুবক বৈশাখ সাংমা(২২) বড়গোপ টিলা গ্রামের সঞ্জয় সাংমার ছেলে। চিকিৎসার জন্য তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নির্যাতনের ঘটনায় বৈশাখের মামা রাতুল দিও পাঁচজনের নামে তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত পাঁচ জন হলেন, বড়গোপ টিলা গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে শহীদ মিয়া ও আরজু মিয়া, শহীদ মিয়ার স্ত্রী নাছিমা বেগম, আরজু মিয়ার স্ত্রী সাফিয়া বেগম এবং একই গ্রামের বাসিন্দা কাদির মিয়ার স্ত্রী ফালানি বেগম। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে তিনজনকে।

জানাযায়, শনিবার দুপুরে শহীদ মিয়া ও তার সহযোগীরা বৈশাখকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়– শহীদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য ও জাল টাকা নিয়ে এলাকায় বিক্রি করতে হবে। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বৈশাখের হাত-পা বেঁধে মারধর করে তারা। খবর পেয়ে স্বজনরা শহীদ মিয়ার বাড়ি থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন। বৈশাখের হাত-পা ও পিঠে জখমের দাগ রয়েছে।

এ বিষয়ে বড়গোপ টিলা গ্রামের মেম্বার কফিল উদ্দিন বলেন, শহীদ ও আরজু মাদকদ্রব্যের ব্যবসা করে। আদিবাসী যুবক বৈশাখকে তারা অন্যায়ভাবে মারধর করেছে। এ ঘটনার নিন্দা ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানাই।

তাহিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *